Thursday, September 22, 2016

PAIDVERTS থেকে আয় করুন ডেইলি ১০ডলার...যারা সিস্টেম জানেন না তাদের জন্য পোষ্ট...।



অনলাইনে কাজ যারা সময় নিয়ে কাজ করতে পারবে তাদের জন্য এই পোষ্ট,আপনি যদি আজকে জয়েন করে আজই ১০ডলার ইনকাম করার কথা চিন্তা করেন সেটা ভুল হবে,সহজে অনলাইনে আয় করার জন্য কিছু উপায় অবলম্বন করতে হবে।নিচে বিস্তারিত আলোচনা করছি...
এটা থেকে ভালো আয় করা যায়। যা আপনার কাছে খুব ভালো লাগবে, যদি তা নিজের চোখে দেখেন। এখানে সাধারণ কিছু নিয়ম দেখলেই আয় করা অতি সহজ হয়ে যাবে আপান জন্য। তবে সব কিছু এত সহজ হলে টাকা ধরতো গাছে, তাই কিনা বলেন। তাই বলবো বেশি কিছু ভাববেন না, এখান থেকে এমন কিছু আয় করবেন যা আপনি আগে ভাবেন নি, আর তা আমি আপনাদের দেখাবো, কিভাবে অতি সহজ ভাবে এখান থেকে টাকা আয় করতে হয়।।
  • প্রথমেই আপনি সাইন আপ করুন এখান থেকে
  • এর পর উপরের Registration  ক্লিক করুন
  • জন্ম তারিখ আপনার আইডি কার্ড এ যেটা আছে সেটা দিবেন কারন টাকা তুলতে গেলে ভেরিফিকেশানে দরকার হবে।
এখানে সব কিছু সঠিক ভাবে দিয়ে Open Account এ ক্লিক করুন
এখন আপনার একাউন্ট তৈরী হয়েগেছে।নিচের ছবির মত  ডান দিকে উপরে লাল চিহ্নিত Paid Ads গুলোতে ক্লিক করলে আপনি নতুন এডস পাবেন।
তখন বামদিকের উপরে লাল চিহ্নিত বক্সে ক্লিক করুন। এরপর এমন একটি পেজ দেখতে পাবেন...

 

Paid Ads A ক্লিক করে Ads গুলো দেখবেন প্রত্তেক দিন ২-৩ বার।মনে রাখবেন BAP(Bonus add point) যত বেশী হবে paid add er value তত বাড়বে
আশা করি বুঝতে পেরেছেন এর পরেও সমস্যা থাকলে কমেন্ট প্লিজ।


আপনার এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে এবার আয় হবেই (Whaff Mod) কোন Hack না Auto কাজ করবে

আপনারা হয়তো এর আগেও অনেকে এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে টাকা আয় করার চেষ্টা করেছেন। কেও ব্যবহার করেছেন mcent বা অন্য কোন অ্যাপ। কিন্তু মনের মত কি আয় করতে পেরেছেন? আমিও mcent ব্যবহার করেছি। কিন্তু মোটেও সন্তুষ্ট হতে পারিনি। কেননা তাদের রেট খুব কম। আবার কখনও কখনও অ্যাপ শো করেনা। তাই ব্যবহার করতে আর ইচ্ছে হচ্ছিল না। তখন ভাব্লাম আমার ভাগ্যে মনে হয় টাকা আয় আর হবে। তারপর দেখলাম whaff নামের একটি অ্যাপ। প্রথমে ভাবলাম এটা মনে হয় mcent এর মতই ফালতু একটা অ্যাপ। তারপর কিছুদিন ব্যবহার করলাম। ভাল আয়ও করলাম। প্রায় ২২ ডলার। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করতেছি। এটি ব্যবহারে আপনি কখনও হতাশ হবেন না।
নিচে এর ফিচার গুলো উল্লেখ করলামঃ
প্লে স্টোর থেকে WHAFF এ দেয়া কোন অ্যাপ Install করলেই পবেন $0.05-$0.12 পর্যন্ত।
WHAFF দিয়ে Install করা অ্যাপটি প্রতিদিন ব্যবহার করলেই পাবেন $0.02-$0.1 পর্যন্ত। তবে একটি নির্দিষ্ট সময় দিন পর্যন্ত পাবেন।
WHAFF দিয়ে install করা অ্যাপটি uninstall না করলে প্রতিদিন পাবেন $0.01-$0.1 পরযন্ত।
প্রতিদিন WHAFF এ attendance চেক করলে পাবেন $0.01
প্লে স্টোরে WHAFF এর উপর রিভিও কররে পাবেন $0.1
গুগল প্লাসে WHAFF কে অ্যাড করলে পাবেন $0.1
এটি রেফারেলও সাপোট করে। তাই রেফারেল করেও টাকা আয় করতে পারবেন।
এটি ব্যবহার করা খুবই সহজ।
এছারাও যদি আপনি কাওকে ইনভাইট করেন তাহলে আপনি পাবেন ০.৫০ ডলার আর সেও পাবে ০.৫০ ডলার।
তো চলুন শুরু করা যাক
প্রথমে whaff অ্যাপটি আপনার মোবাইলে ডাউনলোড করে নিন
https://play.google.com/store/apps/details
তাহলে ফেসবুক লগিন উইন্ডো বের হবে সেখানে আপনার ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন (ভয় পাবেননা এটি কোন ফিশিং অ্যাপ নয়)।
refferel ঘরে DH53096 লিখুন এবং ওকে তে ক্লিক করুন। তাহলে আপনি পাবেন ০.৫০ ডলার। এটি হচ্ছে আমার ইনভাইটেশন কোড। এই কোড লিখে ওকে করলে আপনি পাবেন ০.৫০ ডলার। যদি আপনি কোড টা না দেন তাহলে আপনি ০.৫০ ডলার পাবেন না।
আমাদের দেশের জন্য ২টা অফার আর আমেরিকা/জার্মানি তে ১০-২০ টা অফার থাকে! আর দেশেই থাকবোনা! প্লে Store থেকে Cyberghost Vpn ডাউনলোড করে নিন। ১০০% সেফ! ব্যান হবেন না! তারপর অ্যাপ টি ইন্সটল করে Select Country তে America/Germany দিয়ে Connect বাটনে সিলেক্ট করে 1 মিনিট অপেক্ষা করুন Connected দেখালে Whaff rewards ওপেন করুন আর দেখুন চমৎকার! এইভাবে কাজ করে ২০ দিনের মধ্যে ইনশাআল্লাহ্ 12$ করতে পারবেন। কখোনো প্রব্লেম দিলে Cyberghost অ্যাপ এ গিয়ে অন্য দেশ সিলেক্ট করুন।
America এর সব অফার শেষ করলে, Germany যাবেন,তাও শেষ হলে Netherlands,Romania,China তো আছেই !

Wednesday, September 21, 2016

ইন্টেল প্রতিবছর তাদের প্রোসেসর এর নতুন জেনারেশন বাজারে ছাড়ে,তাই চলুন জেনে নেই এই জেনারেশন কি :

প্রোসেসর এর ভেতর থাকে ছোট ছোট ট্রানজিস্টার এসব ট্রানজিস্টার যত ছোট হবে প্রোসেসর এর পারফর্মেন্স বা কর্মদক্ষতা তত ভালো হবে এবং পাওয়ার কনজিউম তত কম হবে।ইন্টেল প্রতি জেনারেশনে এই ট্রানজিস্টার এর সাইজ পূর্বের আরো ছোট করে।বর্তমানে সবচেয়ে ছোট ট্রানজিস্টার যেটা ইন্টেল ব্যবহার করে তার সাইজ ১৪ ন্যানোমিটার;তারপূর্বে ছিল ২০ ন্যানোমিটার, তারআগে ২৮,৩০,৪০ এভাবে বড় সাইজের ছিলো। সুতরাং জেনারেশন যত নতুন প্রোসেসর এর পারফর্মেন্সওও পূর্বের তুলনায় আরও ভালো।
সুতরাং প্রোসেসর এর ক্ষেত্রে জেনরোশন অতি গুরুত্বপূর্ণ।
এখন আসল কথায় আসা যাক:core i3/i5/i7 কম্পিউটার বা ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে আমাদের দন্দে পড়তে হয় এই প্রোসেসর গুলোর ভেতর কোনটি ভালো এই বিচার করতে গিয়ে।

Intel Core i3

এটি ইন্টেল বেসিক প্রোসেসর।ল্যাপটপ বা কম্পিউটার যেখানেই থাকুন না কেন এটি ডুয়াল কোর হিসেবে থাকে; তবে এতে একটি বিশেষ ফিচার রয়েছে যায় নাম হল Hypenthreading; এর কারনে ওপারেটিং সিস্টেম প্রোসেসর এর কোর কে ডাবল বা দ্বিগুন মনে করে,অর্থাত ডুয়াল কোরকে ওপারেটিং সিস্টেম মনে করবে চারটি কোর বা কুয়াড কোর হিসেবে।
বাজারে core i3 এর কয়েকটি মডেল রয়েছে আ মডেল ভেদে ক্লকিং(২.৪ ghz/৩.৪ ghz) ও ক্যশ মেমোরি পার্থক্য রয়েছে।
কেউ যদি সাধারন নেট ব্রাউজিং,ব্লগিং,ওয়েব ডিজাইন,ওয়ার্ড,এক্সেল,পাওয়ার পয়েন্ট বা গ্রাফিক্স কাড়ড রয়েছে টুকটাক গেমিং করতে চায় তবে core i5/i7 এ টাকা না অপচয় করে  core i3 লেটেস্ট জেনারেশন কেনা ভালো।

Intel Core i5

এটি দুটও রূপে দেখা যায়।ল্যাপটপে সাধারনত ডুয়াল কোর ভার্সনটি থাকে; যাতো Hypenthreading সুবিধা বিদ্যমান আর যার ফলে তুলনা মূলক কুয়াড কোর এর কাজই করে।আর কম্পিউটারে সাধারনত কুয়াড কোর ভার্সনটি দেখা যায় আর এতে Hypenthreading. সুবিধা থাকে না।
core i3 এর তুলনায় এর স্পীড, কর্মদক্ষতা, ক্যাশ মেমোরি,ট্রানজিস্টার সংখ্যা সবই বেশি। গেমিং, ফটোশপ,আফটার ইফেক্ট ইত্যাদি কাজের জন্য  এটি কেনা যেতে পারে।

Intel Core i7

এটি ইন্টেল এর সবচেয়ে হাইএন্ড প্রোসেসর।এটি ক্যশ মেমোরী সর্বোচ্চ ৮ এম বি পর্যন্ত আর এতে ট্রানজিস্টার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি,এর ক্লক স্পীড অন্যান্য গুলোর থেকে ভালো।
ল্যাপটপে এর ডুয়াল কোর এবং কুয়াডকোর ভার্সন দেখা যায়,তবে ডুয়াল কোর খুব কম আল্ট্রাবুক এ দেখা যায়,আর ম্যাকবুক প্রো ইত্যাদিতে কুয়াড কোর ভার্সন পাওয়া যায়।কম্পিউটরে এর কুয়াড কোর ও ওক্টাকোর ভার্সন পাওয়া যায়।
কেবল বড় বড় গেমস খেলা বা থ্রী ডি গ্রাফিক্স,কার্টুন মেকিং, হাই এন্ড অডিও ভিডিও রেন্ডারিং ইত্যাদি কাজের জন্য এর বিকল্প নেই।
ওভারক্লকিংভালো প্রসেসর গুলোতে এ সুবিধাটি থাকে এর মাধ্যমে প্রোসেসর এর ক্লক স্পীড নিজের ইচ্ছামত বাড়িয়ে নেয়া যায়;যেমন : ৩ ghz থেকে  বাড়িয়ে ৩.৮ বা ৪ ghz করা যায়।ভালো প্রোসেসর এ এ সুবিধা পাওয়া যায়।যেসব প্রোসেসর এর মডেল নাম এর শেষে K থাকে বুঝতে হবে সে প্রোসেসর এ ওভারক্লকিং আছে,যেমন : i7 4770K।
আর ওভারক্লকিং এর জন্য প্রোসেসর এর আশেপাশে অবশ্যই পর্যাপ্ত কুলিং থাকতে হবে।
মডেল নাম থেকে জেনারেশন বোঝার নিয়ম:ধরুন কোন প্রোসেসর এর মডেল নাম core i7 4470; 4470 এর সামনের 4 মানে এটি ৪র্থ জেনারেশন; তেমনিভাবে i7 5570 মানে এটি ৫ম জেনারেশন।


Do you know the difference between a Programmer, Coder          Developer and Engineer?

Developers and Programmers
They are more experienced code-writers who are versed in at least two to three languages and write awesome, clean, error free and well-factored codes. They can apply their algorithmic knowledge to create more sophisticated levels of software coding.
Developers in some firms are sometimes referred to as the start to finish overseers of a project, who are responsible for the overall design of the application. The developer within these companies will often oversee a team of coders and programmers to ensure that the design of the application is user-friendly and a cohesive end product is created. The developer in these cases would most probably be the client’s direct point of contact and would then interface with the rest of the team to solving problem, make requested changes, and answer client questions.
Coders
Anyone who writes code is often referred to as a coder by the people outside the tech industry. However, this all-surrounding term can be considered judgemental for those who live and breathe programming every day. Coders are commonly considered the least trained or experienced level of programmers. These individuals do not have the same algorithmic knowledge as a programmer or developer, as they are often a beginner in the field, skilled in just one coding language. Coders are usually given the job of writing forthright pieces of code that can easily be delegated by the developers. As some are put-off by the title, it is sometimes used interchangeably with “Junior Programmer” or “Junior Developer.”
Engineers
The title of engineer or software engineer is normally reserved for the highest level, or most expert coders around. Engineers are well versed in three programming languages or more and use their skills to design and implement the overall architecture of the application. They modularize the final product to develop a clean interface, and then work with the programmers and developers to implement the more comprehensive features of the design.
Do you agree with the definitions above, or think otherwise, do let us know in the comments section below.